এবি ডি ভিলিয়ার্স ঝড়ে রানের পাহাড়ে চড়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দলটির ছুড়ে দেওয়া দুই শতাধিক রানের পেছনে শুরুতে ভালোই ছুটল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। তবে শেষ দিকে উমেশ যাদব ও নবদ্বীপ সাইনি দারুণ বোলিং করলেন। তাতে বেঙ্গালুরুর মাঠ ছাড়া জয় নিয়ে।
বুধবার আইপিএলে দিনের একমাত্র ম্যাচে পাঞ্জাবকে ১৭ রানে হারায় বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু। নিজেদের মাঠে টস হেরে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ২০২ রান করেছিল বেঙ্গালুরু। জবাবে ৭ উইকেটে ১৮৫ রানে থামে পাঞ্জাবের ইনিংস।
নিজেদের ১১ ম্যাচে এটি চতুর্থ জয় বেঙ্গালুরুর। ৮ পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান সপ্তম। অনেক সমীকরণের মারপ্যাঁচে এখনো তাদের বেঁচে আশে প্লে অফ খেলার আশা। এদিকে ১১তম ম্যাচে ষষ্ঠ হারের স্বাদ পেল পাঞ্জাব। আট দলের মধ্যে তাদের অবস্থান পঞ্চম।
এদিন বিরাট কোহলি মাত্র ১৩ রান করে ফিরলেও পার্থিব প্যাটেল ও এবি ডি ভিলিয়ার্স শুরু থেকেই খেলছিলেন দারুণ ছন্দে। তারপরও ৮১ রানে ৪ উইকেট হারানো দলটির স্কোর যে দু শ পেরোবে এমন মনে হয়নি কখনো। পার্থিব ২৪ বলে ৪৩ রান করেন ফেরেন। ৭ চারের সঙ্গে হাঁকান ২ ছক্কা। মঈন আলি এদিন ব্যর্থ হলেন। ৩ রানের বেশি করতে পারেননি।
তবে পঞ্চম উইকেটে জমে ওঠে স্টয়নিস ও ডি ভিলিয়ার্স জুটি। শেষ ১১ ওভার এই দুজন ব্যাট করেছেন। যোগ করেছেন ১২১ রান। ডি ভিলিয়ার্স ৪৪ বলে অপরাজিত ৮২ রান করেন ৩ চার ও ৭ ছক্কায়। আর স্টয়নিস অপরাজিত ছিলেন ৪৬ রানে। তার ৩৪ বলের ইনিংসে ছিল ২ চার ও ৩ ছক্কা।
জবাব দিতে নেমে গেইল ঝড় তোলার আভাস দিয়ে ফেরেন ২৩ রান করে। ১০ বলে ইনিংস হাঁকান ১ ছক্কা ও ৪ চার। মায়াঙ্ক আগারওয়াল ও লোকেশ রাহুল দারুণ খেলছিলেন। রাহুল ২৭ বলে ৪২ ও আগারওয়াল ২১ বলে ৩৫ রান করেন।
তবে ডেভিড মিলার খেলেছেন ধীর ইনিংস। ২৫ বলে ২৪ রান করেন তিনি। নিকোলাস পুরানের ব্যাটে আশা জেগেছিল পাঞ্জাবের। তবে ১৯তম ওভারের নবদ্বীপ সাইনি তুলে নেন পুরানকে। ২৮ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় সাজানো তার দারুণ ইনিংসের ইতি তাতে।
এর আগে ওভারের প্রথম বলে মিলারকে ফেরান সাইনি। ৩ রান খরচায় ২ উইকেট তুলে নিয়ে বেঙ্গালুরুকে ম্যাচে রাখেন এই বোলার।
শেষ ওভারে ২৭ রানে কঠিন সমীকরণ দাঁড়ায় পাঞ্জাবের সামনে। সেই লক্ষ্য আর পূরণ করা সম্ভব হয়নি দলটির পক্ষে। জোড়া উইকেট হারিয়ে নিতে পেরেছে ৯ রান।
বেঙ্গালুরুর পক্ষে উমেশ যাদব সর্বাধিক ৩ উইকেট নিয়েছেন। ২ উইকেট নিয়েছেন সাইনি।
