মাসুদ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ‘উদ্ভট’: ইউএসটিসি

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:১০ পিএম

ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রামের (ইউএসটিসি) ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মাসুদ মাহমুদের বিরুদ্ধে আনা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার ইউএসটিসির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনটা দাবি করা হয়।

এতে বলা হয়, ‘প্রফেসর ড. এ বি এম মাসুদ মাহমুদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একজন প্রবীণ শিক্ষক, যার সুনাম ও সুখ্যাতি রয়েছে। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের একজন মেধাসম্পন্ন বুদ্ধিদীপ্ত গবেষকও বটে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তার কর্মজীবনের ৪০ বছর সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে অতিবাহিত করেছেন’।

‘ইউএসটিসিতে তিনি গত ৩ বছর যাবত খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত আছেন এবং কর্তৃপক্ষ তাকে ইংরেজি বিভাগের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে। ইউএসটিসিতে যোগদান করে তিনি দক্ষতার সঙ্গে ইংরেজি বিভাগের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন এবং দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে বিভাগের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষা পরিবেশকে সমৃদ্ধ করছেন’।

ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, ‘ইংরেজি বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স মিলিয়ে অধ্যয়নরত ২৬৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২২ শিক্ষার্থীর উদ্ভট অভিযোগ কতটা সত্য তা ভেবে দেখার বিষয়’।

‘তৎমধ্যে কিছু ছাত্রছাত্রী– মো. শেখ রাসেল শাহেন শাহ বিএ (অনার্স), ৬ষ্ঠ সেমিস্টার; কান্তা বড়ুয়া বিএ (অনার্স), ৮ম সেমিস্টার; এমএ ২য় সেমিস্টারের ফেরদৌস বেগম ডলি, সানি দেবনাথ, মো. মঈনুল আলম অনিক, শাহনাজ আক্তার, শ্রেয়সী দেসহ আরোও বেশ কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ক্লাস উপস্থিতি বিবেচনায় (৭৫% উপস্থিতি বাধ্যতামূলক) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারানোর কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-নীতি না মেনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রফেসর ড. এ বি এম মাসুদ মাহমুদের বিরুদ্ধে বানোয়াট ও মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে অপপ্রচার চালাচ্ছে যা নিন্দনীয়’।

‘এছাড়াও ৪০ নম্বরের ডিজারটেশন কোর্সের সঙ্গে প্রফেসর ড. এ বি এম মাসুদ মাহমুদের সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগটি সত্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তোয়াক্কা না করে, কথিত শিক্ষার্থীরা মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানোর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ধর্ণা দিচ্ছে। যা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়’।

গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদকে ‘মিথ্যা’ উল্লেখ করে  সংবাদটি পত্রিকায় প্রকাশের মাধ্যমে একজন সম্মানীয় শিক্ষকের মান ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করে তারা।

তারা বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘পাশাপাশি ইউএসটিসি’র অর্জিত সুনাম বিনষ্ট করার পাঁয়তারা হচ্ছে। ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ এ সংবাদের বিপরীতে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যেহেতু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ অনুযায়ী পরিচালিত হয়, তাই বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষক-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ থাকলে ইউজিসি কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হওয়া বাঞ্চনীয় বলে কর্তৃপক্ষ মনে করে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত