বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’র ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শহীদ এটিএম জাফর আলম সিএসপি সম্মেলন কক্ষে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আশরাফুল আফসারের সভাপতিত্বে এতে আবহাওয়া অফিস, বিদ্যুৎ অফিস, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিভিল সার্জন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা, জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ মোকাবেলায় কক্সবাজার জেলায় ৪৩০টি ইউনিটের আওতায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ৬ হাজার ৪৫০ জন সদস্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও ১ হাজার ৭০০ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছে।
এছাড়া কক্সবাজার রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির আওতায় ১হাজার ২০০ জন লোক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরমধ্যে ৭০০ জনকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় আর অন্যান্যদের জেলার বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও জানায়, পাশাপাশি উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের কথা বিবেচনা করে কক্সবাজার ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনারের সঙ্গে আলাদাভাবে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সকাল নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ‘ফণি’র অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এরই মধ্যে উপকূলে ৭ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেওয়ার পাশাপাশি ‘ফণি’র প্রভাবে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
