তিতাস নামেই বেশি পরিচিত তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও বর্তমানে পেট্রোবাংলার সিনিয়র জিএম প্রকৌশলী মো. নওশাদ ইসলাম ও তার স্ত্রী রাজিয়া নওশাদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৪৬ লাখ ৩৪ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আলাদা দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
গতকাল রবিবার দুদকের উপপরিচালক এস এম এম আখতার হামিদ ভূঞা বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলা দুটি দায়ের করেন। মামলায় নওশাদের বিরুদ্ধে ৭৯ লাখ ৪১ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও ১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অপরদিকে নওশাদ ইসলামের স্ত্রী রাজিয়া নওশাদের বিরুদ্ধে ৪২ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও ১ কোটি ৪৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় মামলা দুটি দায়ের করে দুদক।
রাজিয়া নওশাদ নিজ নামের সম্পদের বিষয়ে দুদকের কাছে দেওয়া বক্তব্য ও সম্পদের বিবরণীতে যে তথ্য দেন, দুদক অনুসন্ধান করে তাতে বড় ধরনের গরমিল পায়। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেছেন, তার ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে দায়দেনা আছে ১৫ লাখ টাকা। তিনি ১ কোটি ৪৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়।
রাজিয়া নওশাদ তার নামে ঢাকার ধানম-ি আবাসিক এলাকায় ২২০২ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ক্রয়ে ১৭ লাখ ১ হাজার টাকার তথ্য ও ওই ফ্ল্যাট ক্রয়ে তার স্বামীর অবৈধ ২৫ লাখ টাকা বিনিয়োগের বিষয়টি গোপন করেন বলে অভিযোগ দুদকের।
×
