বরগুনার আমতলী মফিজ উদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম কবীরের ওপর শিক্ষক-কর্মচারীরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী সোনালী ব্যাংকের সামনে হামলার এ ঘটনা ঘটে জানিয়ে ওইদিন রাতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন শাহ আলম।
জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে জটিলতার কারণে ১৭ মাস ধরে বেতন বন্ধ থাকার পর কমিটি কর্তৃক বরখাস্ত সাবেক প্রধান শিক্ষক শাহ আলম আদালতের নির্দেশে স্বপদে বহাল হন। পরে বুধবার বিকেলে তিনি শিক্ষকদের বেতনের কাগজ নিয়ে সোনালী ব্যাংকের আমতলী শাখায় যান। ওই বিলে বিদ্যালয়ের কমিটি কর্তৃক বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেলোয়ারসহ পাঁচজনের নাম না থাকায় তারা শাহ আলমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।
এক পর্যায়ে তারা তার ওপর হামলা করেন। পরে রাতে শাহ আলম বাদী হয়ে দেলোয়ার, বিদ্যালয়ের গার্ড জসিম উদ্দিন, অফিস সহকারী বশির উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক শফিকুর রহমান রহমান ও ধর্মীয় শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের নামে মামলা করেন।
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে দোলেয়ার বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক শাহ আলম কবীর আমাদের নাম বাদ দিয়ে ব্যাংকে বিল জমা দেয়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে।’
শাহ আলম বলেন, ‘আদালতের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় তারা আমার অধীনে বেতন তুলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তারা বেতন শিটে স্বাক্ষর করেনি। যারা স্বাক্ষর দিয়েছে তাদের বেতন শিট ব্যাংকে জমা দেই। এতে ক্ষুব্দ হয়ে দেলোয়ারের নেতৃত্বে কয়েকজন আমার ওপর হামলা করে।’
আমতলী থানার ওসি আবুল বাশার জানান, হামলার ঘটনায় বুধবার রাতে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
