দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক কর্মচারীকে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
দুদকের ওই কর্মচারীর নাম হাসিবুল হাসান সুমন (৩৫)। তিনি দুদকের সেগুনবাগিচা কার্যালয়ের ডাটা এন্ট্রি অফিসার।
পুলিশের দাবি, চলাফেরা সন্দেহজনক হলে রাতে সুমনের দেহ তল্লাশি করে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
অপরদিকে পরিবারের অভিযোগ, তাকে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে জানান, শুক্রবার তারাবির নামাজের পর শহরের আল্লামা ইকবাল রোড এলাকা থেকে তাকে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে পুলিশ। আটক হাসিবুল হাসান সুমন স্থানীয় হাবিবুল্লাহ’র ছেলে।
ওসি কামরুল ইসলাম আরও জানান, চলাফেরা সন্দেহজনক হলে রাতে সুমনের দেহ তল্লাশি করে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। এ সময় সুমন নিজেকে দুদকের সেগুনবাগিচা কার্যালয়ের ডাটা এন্ট্রি অফিসার হিসেবে পরিচয় দেন।
তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলে শনিবার দুপুরে জানান ওসি।
এদিকে আটক সুমনের ভগ্নিপতি আবু জাফর অভিযোগ করে বলেন, রাতে পুলিশ আমাদের জানিয়েছিল সুমনের কাছে ইয়াবা পাওয়া যায়নি। সকালে পুলিশ তাদের রাতের বক্তব্য থেকে সরে এসে এখন বলছে সুমনের দেহ তল্লাশি করে ১৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।
‘তাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করি। আমরা এর সঠিক তদন্ত দাবি করছি’।
