বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঘোষিত কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে 'অবৈধ' আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভ করেছে একটি অংশ।
তাদের বিক্ষোভ মিছিলে নতুন কমিটির পদপ্রাপ্তরা হামলা করেছেন।
এ সময় বিক্ষোভরত ছাত্রলীগের সাবেক নারী নেত্রীদের লাঞ্ছিত করেন পদপ্রাপ্তরা।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী নেতাকর্মীরা জানান, ছাত্রলীগের ঘোষিত ৩০১ সদস্যের কমিটির বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের একটি অংশ বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের বিগত কমিটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা, প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু, কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপসম্পাদক রাকিব হোসেন, জসিম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান, রোকেয়া হলের সভাপতি বিএম লিপি আক্তার, কুয়েতমৈত্রী হলের সভাপতি ফরিদা পারভীন, সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণী শায়লা, শামসুন নাহার হল ছাত্রলীগের সভাপতি নিপু তন্বী, সাধারণ সম্পাদক জিয়াসমিন শান্তা প্রমুখ।
এ অংশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে মিছিল নিয়ে মধুর ক্যানটিনের সামনে যায়। এসময় নতুন কমিটিতে পদপ্রাপ্তরা তাদের ওপর হামলা চালায়।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ছাত্রলীগের গঠিত ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ত্যাগী নেতারা বঞ্চিত হয়েছে। যারা ছাত্রলীগের কোনো কর্মসূচিতে কোনো দিন থাকেনি তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় নবঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে উপসম্পাদক পদ পাওয়া কয়েকজন পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
শামসুন নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াসমিন শান্তা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ছাত্রলীগ করেছি। কিন্তু আমাদের কোনো পদ দেওয়া হয়নি। আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিক্ষোভ করছিলাম। কিন্তু আমাদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।
কারা হাত দিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নতুন কমিটির সাদিক খান, অর্থ সম্পাদক রাকিব হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল ভূইয়া, সহসভাপতি কামাল খান, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক বায়জিদ কোতোয়াল হামলা করেন।
তিলোত্তমা শিকদার বলেন, এমন কোনো কর্মসূচি ছিল না যেখানে আমি উপস্থিত হয়নি। অথচ আমাকে উপসম্পাদক করা হয়েছে। এটি আমাদের মতো ত্যাগীদের জন্য অপমান।
তিনি দ্রুত পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন বলে জানান।
