কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার গবাদিপশু

আপডেট : ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:২৩ এএম

দেশের অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব পড়েছে ঈদের উৎসবে। ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়েনি কোরবানির পরিমাণ। সদ্য শেষ হওয়া পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে, যা আগের বছর ছিল ৯১ লাখ ৩৬ হাজার। এবারে কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদা ছিল ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এই অবস্থায় দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদার শতভাগ পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী কোরবানিকৃত গবাদি পশুর প্রাথমিক হিসাব এবং সরকারের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতে সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়েছিল। এতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চাহিদার বিপরীতে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর সরবরাহ ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। কোরবানি শেষে দেশে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন বলেন, ‘দেশে কোরবানির পশু উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।’

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত