পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দশম শ্রেণির ছাত্রী শ্যালিকাকে অপহরণ করে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে অ্যাসিড নিক্ষেপসহ মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে দুলাভাই সলেমান হাওলাদার (৩০)।
বুধবার কৌশলে ওই ছাত্রী পালিয়ে বাসায় ফেরে। এ ঘটনায় ওই রাতেই দুলাভাই সলেমান হাওলাদারসহ সহযোগী মিলনকে আসামি করে ধর্ষিতার ভাই বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছে।
পুলিশ সহযোগী মিলনকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করেছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে বলে দাবি করেছে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ৮ মে বুধবার বিকেল তিনটার সময় ওই ছাত্রী ইটবাড়িয়ার বাসা থেকে কলাপাড়া পৌর শহরে আসছিল। এ সময় উপজেলার আজিমপুর গ্রামের বাসিন্দা দুলাভাই সলেমান হাওলাদার কয়েক সহযোগী নিয়ে স্কুলছাত্রী শ্যালিকাকে মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এরপর ওই ছাত্রীকে কুয়াকাটা সমুদ্র রিসোর্ট আবাসিক হোটেলের কক্ষে আটকে রাখা হয়। ১২ মে পর্যন্ত ওই হোটেলে আটকে একাধিকবার ধর্ষণ করে দুলাভাই। ১৩ মে কুয়াকাটা থেকে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ১৪ তারিখ পুনরায় তাকে কুয়াকাটায় নিয়ে আসা হয়। ১৫ মে বুধবার সকালে কৌশলে পালিয়ে বাসায় ফেরে ওই ছাত্রী।
মামলায় বলা হয়েছে, ইতোপুর্বে স্কুলে আসার পথে দুলাভাই সলেমান ওই স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করত।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, মূল আসামি সলেমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
