গুণীজনদের সম্মান দেখালে জাতিকেই সম্মান দেখানো হয়: র‌্যাব মহাপরিচালক

আপডেট : ১৯ মে ২০১৯, ০৯:০৬ পিএম

র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেছেন, আমরা যদি গুণীজনদের খুঁজে বের করি, তাদের সম্মান দেখাই তাহলে জাতিকেই সম্মান দেখানো হয় এবং জাতিকে সমৃদ্ধ করে।

রোববার বিকালে গোপালগঞ্জ শিল্পকলা একডেমির হল রুমে আয়োজিত শিল্পকলা সম্মাননা পদক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রোববার বিকেলে গোপালগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমির হল রুমে আয়োজিত শিল্পকলা সম্মাননা পদক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বেনজির বলেন, গুণীজনদের সম্মান দিলে, তাদের কাজের স্বীকৃতি পেলে ভাল থেকে আরো ভাল করে এবং অন্যান্যরা উৎসাহবোধ করে।

তিনি আরো বলেন, এদেশে চিন্তাবিদ, সাধক, দার্শনিকের জন্ম হয়েছে। গায়ক, কবি হয়েছে, লোক সাহিত্যের জায়গা তৈরী হয়েছে। কারণ মানুষের সুযোগ সুবিধা ছিল। নিজের ছোটবেলা দিয়ে ছেলে মেয়েদের ছোটবেলা বিচার করতে গেলে সেটা ভুল হবে। কারণ সন্তানরা হল সময়ের সন্তান। যে কারণে নিজের সময় দিয়ে সন্তানদের সময় বিচার করা ঠিক হবে না।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী এমদাদুল হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফার রহমান বাচ্চু, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার এহিয়া খালেদ সাদি, জেলা কালচারাল অফিসার আল মামুন বিন সালেহ ও সম্মাননাপ্রাপ্ত সৃজনশীল সংগঠক মো. নাজুমল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

 

পরে ২০১৮ ও ১৯ বর্ষের ১০জন গুণী শিল্পীর হাতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক, সনদপত্র তুলে ও উত্তরীয় পরিয়ে দেন অতিথিবৃন্দ।

২০১৮ সালের ৫ জন গুণী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা হলেন, সৃজনশীল সংগঠক গাজী মুস্তাফিজুর রহমান দিপু, কন্ঠ সংগীতে দুলাল দাস, সৃজনশীল সংস্কৃতি গবেষকে রবীন্দ্রনাথ অধিকারী, আবৃত্তিতে মাহবুবুর রহমান ও সৃজনশীল আঞ্চলিক সংগঠন ত্রিবেণী গণ সাংস্কৃতিক সংস্থা।

২০১৯ সালের ৫জন গুণী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা হলেন, সৃজনশীল সংগঠক মো. নাজুমল ইসলাম, কণ্ঠ সংগীতে শাহনাজ রেজা এ্যানী, সৃজনশীল সংস্কৃতি গবেষক গাজী লতিফ, আবৃত্তিতে ঠাকুর বিশ্বরাজ গোস্বামী ও নাট্যকলায় মাসুম হাসান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত