ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারী ও কার্গো ওয়েলফেয়ার ইউনিয়নের ডাকা চার দিনের ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে বুধবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।
ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর কারণে আমদানি-রপ্তানিতে ধস নামায় সে দেশের সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারী ও কার্গো ওয়েলফেয়ার ইউনিয়ন মঙ্গলবার থেকে এ ধর্মঘটের ডাক দেয়। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
ভোমরা সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আরাফাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারী ও কার্গো ওয়েলফেয়ার ইউনিয়নের ধর্মঘটের কারণে অচল হয়ে পড়েছে ভোমরা বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম।
রাজস্ব কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, ধর্মঘটের কারণে সরকার প্রতিদিন সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের সহকারী পরিচালক নিয়ামুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি আজকের মধ্যে নিষ্পত্তি হতে পারে বলে আমরা জানতে পেরেছি। আর নিষ্পত্তি হলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।
ভোমরা সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আরাফাত হোসেন আরও জানান, চলতি সপ্তাহে ভারতীয় কাস্টমসের নির্দেশে ঘোজাডাঙ্গা শুল্কস্টেশনে অনলাইনে (ডিজিটাল পদ্ধতিতে) দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়। জনবল কম ও অদক্ষ টেকনিশিয়ান দ্বারা অনলাইনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করায় প্রচুর সময় ক্ষেপণের কারণে ভোমরা ও ঘোজাডাঙ্গা বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম হঠাৎ ৭০ ভাগ হ্রাস পায়।
আগে যেখানে প্রতিদিন ৩/৪শ’ পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরের প্রবেশ করতো সেখানে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হওয়ায় দিনে ৫০/ ৬০টির বেশি গাড়ি ঢুকছে না বন্দরে।
এর প্রতিবাদে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্মচারী ও কার্গো ওয়েলফেয়ার ইউনিয়ন চার দিনের ধর্মঘটের ডাক দেয়। ধর্মঘটের প্রভাবে ভোমরা বন্দরের বিপরীতে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা এলাকায় প্রায় আড়াই হাজার আমদানি পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে আছে বলে জানান সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
