মোবাইলে ছবি তোলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট : ০১ জুন ২০১৯, ০১:৫৬ পিএম

বাগেরহাটের শরণখোলায় এক বৃদ্ধের ছবি মুঠোফোনে ধারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমিনুল ইসলাম বেল্লাল (৩২) নামে এক যুবককে প্রতিপক্ষরা পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে পুলিশ যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।বা

নিহতের বাবা সোহরাব হোসেন আকন বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখ করে শরণখোলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে এই ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত আমিনুল ইসলাম শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের মালিয়া রাজাপুর গ্রামের সোহরাব হোসেন আকনের ছেলে।

এর আগে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে শরণখোলা উপজেলার বাংলাবাজারের কালামের দোকানের সামনে আমিনুল ইসলামকে মারধর করে প্রতিপক্ষ আসাদুল গাজী ও ইসহাক গাজী। মারধরের শিকার আমিনুল ইসলাম বাড়িতে চলে যান। শনিবার সকাল ৮টার দিকে মারধরে আহত আমিনুল অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলীপ কুমার সরকার বলেন, কয়েকদিন আগে নিহত আমিনুল ইসলাম নব্বইঊর্ধ্ব মিনহাজ উদ্দীন হাওলাদার নামে এক বৃদ্ধের ছবি মুঠোফোনে ধারণ করেন। এই ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আসাদুল গাজী ও ইসহাক গাজীর সঙ্গে আমিনুলের বিবাদ হয়। সেই বিবাদের জেরে শুক্রবার রাতে উপজেলার বাংলাবাজারের কালামের দোকানের সামনে আমিনুলকে একা পেয়ে ওই দুই যুবক হাত দিয়ে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে চলে যায়।

এতে আমিনুলের মাথার অংশে বেশি আঘাত লাগে। তাদের কিল-ঘুষিতে তার ডান চোখের নিচে ফোলা জখম এবং ঠোঁট ফেটে যায়। এই অবস্থায় তিনি চিকিৎসা না করিয়ে বাড়িতে চলে যান। শনিবার সকালে হঠাৎ করে আমিনুল অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের  চিকিৎসক বিশ্বজিৎ মজুমদার বলেন, হাসপাতালে আনার পথেই আমিনুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। তার আঘাত মাথা ও চোখে। ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

অভিযোগ ওঠা প্রতিপক্ষ আসাদুল ও ইসহাক গাজীর সাথে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত