ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর ডক্টরেট উপাধি ভুয়া!

আপডেট : ০১ জুন ২০১৯, ১১:৩৬ পিএম

ভারতের নতুন মন্ত্রিসভার শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্কর এর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিতর্ক শুরু হয়েছে তার নামের আগে লাগানো ডক্টরেট উপাধি নিয়ে।

ভারতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রতিদিনে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, নামের আগে ‘ডক্টর’ উপাধি ব্যবহার করেন রমেশ পোখরিয়াল। তার দাবি, শ্রীলঙ্কার ওপেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি তাকে জোড়া ডক্টরেট খেতাব দিয়েছে।

৯০-এর দশকে একবার সাহিত্যে অবদানের জন্য সেখান থেকে সাম্মানিক ডক্টরেট উপাধি পেয়েছিলেন। এরপর কয়েক বছর আগে ওই একই বিশ্ববিদ্যালয় তাকে বিজ্ঞানে অবদানের জন্য আবারও সাম্মানিক ডক্টরেট উপাধি দিয়েছিল। যদিও ওই নামে শ্রীলঙ্কায় কোনো রেজিস্টার্ড বিশ্ববিদ্যালয় নেই বলে দাবি করেছে একাধিক সংবাদমাধ্যম।

বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তার মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন। এরপর শুক্রবার দুপুরে বণ্টন করা হয় দপ্তর। নতুন মন্ত্রিসভায় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী হয়েছেন হরিদ্বারের বিজেপি সাংসদ রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনেই দেশটির শিক্ষা বিভাগ।

পোখরিয়ালকে ঘিরে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। গত সরকারে থাকাকালীন সংসদে তার একটি বক্তব্য নিয়ে চরম শোরগোল শুরু হয়। সংসদে পোখরিয়াল মন্তব্য করেন, জ্যোতির্বিদ্যা বিজ্ঞানের চেয়ে এগিয়ে। তার এই দাবি নিয়ে রীতিমতো হাসির রোল পড়ে যায়।

সংসদে আলোচনায় তৎকালীন সাংসদ নিশাঙ্ক বলেছিলেন, ‘জ্যোতিষচর্চার কাছে বিজ্ঞান কিছুই নয়, তুচ্ছ ব্যাপার! জ্যোতিষচর্চাই হল সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের থেকেও এটা বড় বিষয়। আমাদের সত্যিই বিষয়টি নিয়ে প্রচার করা উচিত।’

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমরা আজকাল পরমাণু বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করি। কিন্তু লক্ষ বছর আগেই কণাদ পরমাণু পরীক্ষা করেছিলেন। অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জ্ঞানও অনেক দিন আগে থেকে রয়েছে আমাদের।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত