নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় মেয়াদের সরকারে উগ্রপন্থী বজরং দলের সাবেক নেতার মন্ত্রিত্ব নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের আলোচনার রেশ এখনো কাটেনি। এরই মধ্যে আবার সংবাদের শিরোনাম দলটি।
ভারতের বেশকিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের মালিকানাধীন স্কুলে শিক্ষার্থীদের বন্দুক চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বজরং দল।
আজকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মহারাষ্ট্রের ঠানের মীরা রোডে ‘সেভেন ইলেভেন’ নামে ওই স্কুলের মালিক বিজেপি বিধায়ক নরেন্দ্র মেহতা। সেখানে চুপিসারে ২৫ মে থেকে ১ জুন নির্ধারিত অস্ত্র প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনা করে বজরং দল।
অবশ্য কাল হলো ফেইসবুক। প্রকাশ গুপ্ত নামে অতি উৎসাহী একজন অস্ত্র প্রশিক্ষণ শিবিরের বেশ কিছু ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। এতে দেখা যায়, স্কুল চত্বরেই কম বয়সী ছেলেরা বন্দুকে গুলি ভরা এবং গুলিবর্ষণের মহড়া দিচ্ছে।
‘ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (ডিওয়াইএফআই)’ নামে একটি বেসরকারি সেবা সংগঠন এসব ছবি স্থানীয় নবঘর থানার নজরে আনে। প্রাথমিক গড়িমসির পর শেষ পর্যন্ত তদন্ত শুরু করেছে ঠানে গ্রামীণ পুলিশ।
ডিওয়াইএফআই সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় পাণ্ডে বলেছেন, বজরং দল একটি কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। অতীতে দেশের নানা জায়গায় তারা দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাঁধিয়েছে।
“এছাড়া কিছু অল্প বয়সী ছেলের হাতে ওরকম মারাত্মক সব আগ্নেয়াস্ত্র থাকা খুবই বিপজ্জনক। উদ্বিগ্ন হয়েই তাঁরা পুলিশের সাহায্য চেয়েছিলেন”
তিনি আরও বলেন, “ওই স্কুল এবং বজরং দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন তারা। কিন্তু পুলিশ তাদের পাত্তা দেয়নি। অভিযোগ লিখতে চায়নি। বাধ্য হয়ে তারা একটি অভিযোগপত্র জমা দিয়ে ফিরে আসেন। পরদিন সকালে দেখা করেন এলাকার এসডিপিও অতুল কুলকার্নির সঙ্গে। তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এসডিপিও কুলকার্নি জানিয়েছেন, প্রতিটি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স আছে এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও তাদের নেওয়া ছিল বলে আয়োজকদের দাবি। নথিপত্রে কোনো গন্ডগোল থাকলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
