ছাত্রলীগের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়াদের ঈদের সালামি দেওয়া-নেওয়া নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত হয়।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর দাবি, ঈদের আগে সংগঠনের পদবঞ্চিত অংশের ৩০ জনকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ঈদের সালামি দেওয়া হয়। অবস্থান কর্মসূচিতে থাকা সবাইকে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে সালামি দেওয়া হয়েছে। এদিকে, রাব্বানীর এ বক্তব্যকে ‘আংশিক সত্য’ করে টাকার অঙ্ককে ‘মিথ্যাচার’ বলছেন পদবঞ্চিতরা।
এ বিষয়ে পদবঞ্চিত অংশের মুখপাত্র ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন বলেন, ‘ঈদের আগে তারা (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক) জোর করে ৭-৮ জনকে সালামি ও শুভেচ্ছা কার্ড দিয়ে গেছেন।’
৫ হাজার ও ৪ হাজার টাকা করে সালামি দেওয়ার যে দাবি রাব্বানী করেছেন, তাকে ‘মিথ্যাচার’ দাবি করে তিনি বলেন, ‘কাউকে দুই হাজার কাউকে তিন হাজার টাকা করে দিয়ে গেছেন তারা।’
গত ২৬ মে দিবাগত রাত একটা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে দ্বিতীয় দফায় অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন ছাত্রলীগের কমিটিতে পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতা-কর্মীরা। এর অংশ হিসেবে তারা বুধবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনটিও সেখানেই কাটিয়েছেন। ঈদের সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তারা ঈদের নামাজ আদায় করেন। এখনো তারা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
