মাস চারেক আগে বিয়ে করেছিলেন কাইয়ুম মোল্লা (২৬)। কিন্তু নিয়মের বেড়াজালে এখনো তুলে আনা হয়নি স্ত্রী জেমুন্নাসাকে। সংসার আর করাও হলো না। স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে প্রথম শ্বশুরবাড়িতে পা দিলেন বছর চব্বিশের এই তরুণী।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটের সন্দেশখালিতে রোববার বিজেপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন তৃণমূলের এই কর্মী।
এদিকে যে দলের জন্য প্রাণ গেল কাইয়ুমের, মৃত্যুর পর সে দলের থেকেও মিলল বঞ্চনা। সকাল থেকে বিজেপি নেতাকর্মীদের ভিড় উপচে পড়ল বসিরহাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে। কিন্তু কাইয়ুম মোল্লার লাশ নিতে বিকেল পর্যন্ত তৃণমূলের কাউকে চোখে পড়েনি।
আনন্দবাজার জানায়, বিকেলে যখন নিহত দুই বিজেপি কর্মীর লাশ নিয়ে মিনাখাঁয় পুলিশ ও বিজেপি নেতাদের গোলমাল তুঙ্গে, তখন জেলা হাসপাতালের মর্গ থেকে কাইয়ুমের দেহ গ্রামে নিয়ে গেলেন তার ভাই ও পরিবারের কয়েকজন। এসময় তাদের সঙ্গে ছিলেন না জেলা বা মহকুমাস্তরেরও কোনো তৃণমূল নেতা।
অবশ্য বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস বলেছেন, “আমরা হাসপাতালের ভেতরেই ছিলাম। উত্তেজনা ছড়াতে পারে বলে ময়নাতদন্তের সময়ে যাইনি।”
এ ব্যাপারে তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলেন, “এলাকার পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে জেনেই আমরা ওখানে যাইনি।”
