টিভি সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন সময় আপনি যদি কাশি দিয়ে থাকেন, তখন কী পরিণতি হতে পারে?
ট্রাম্পের যা চরিত্র তাতে হতে পারে অনেক কিছুই। সেই অর্থে হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ তথা প্রধান কর্মসচিব মিক মুলভানি অনেকটা ভাগ্যবান। শুধু ধমক খেয়ে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে হয়েছে।
মুলভানি বিব্রতকর এই পরিস্থিতির মুখে পড়েন এবিসি নিউজে ট্রাম্প সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়। সংবাদমাধ্যমটি আবার সেই ভিডিও সম্প্রচার করে দিয়েছে!
ভিডিওতে দেখা যায় আর্থিক প্রস্তাবনার বিষয়ে ট্রাম্প কথা বলার সময় মুলভানি কাশছেন। ক্যামেরায় অবশ্য তাকে দেখা যায়নি।
কাশি শুনে ট্রাম্প রেগে যান। তখন সাংবাদিককে বলেন, ‘দাঁড়ান এটা শেষ করি। আমার উত্তরের সময় তিনি কাশছেন।’
‘আমি এটা পছন্দ করি না, নিশ্চয়ই জানেন, পছন্দ করি না।’
সাংবাদিক তখন ট্রাম্পকে বলেন, আপনার চিফ অব স্টাফ কাশছেন।
এবার ট্রাম্প বলেন, ‘যদি আপনার কাশি আসে, দয়া করে রুম থেকে বেরিয়ে যান।’
মেজাজ হারানো ট্রাম্প আরও বলতে থাকেন, ‘ওহ বালক কোনোভাবেই কাশতে পার না, কোনোভাবেই না।’
এরপর মুলভানি রুম থেকে বেরিয়ে গেলে ট্রাম্প আবার কথা শুরু করেন।
চিফ অব স্টাফ হিসেবে মুলভানি দায়িত্ব নেন গত ডিসেম্বরে। ওই সময় কেউই গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব নিতে চাচ্ছিলেন না। কারণ প্রেসিডেন্টের যেকোনো প্রয়োজনে তাকে সাড়া দিতে হয়। পুরো মন্ত্রিপরিষদের কার্যাবলি খেয়াল রাখতে হয়। কংগ্রেসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয়। প্রেসিডেন্ট কী আইন চান, কী চান না সেসব কথা তাকেই কংগ্রেসের নেতাদের জানাতে হয়। এসবের বাইরে তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব প্রেসিডেন্টকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।
শেষের কাজটির জন্যই মূলত ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের চিফ অব স্টাফ নিক আয়ার্স থেকে শুরু করে ট্রাম্পের জামাতা এবং উপদেষ্টা জারেদ কুশনার প্রধান কর্মসচিব হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।
অবশেষে মুলভানিও বুঝলেন ‘কত ধানে কত চাল’!
