মধ্যপ্রাচ্যে আরও এক হাজার সেনা পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৯, ১০:৩৬ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা সচিব প্যাট্রিক সানাহান সোমবার জানালেন, মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১ হাজার সেনা পাঠাতে যাচ্ছেন। ইরানের শত্রুতাপূর্ণ ব্যাবহারের প্রেক্ষিতে আত্মরক্ষার উদ্দেশে এই অবস্থান নিচ্ছে তারা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বাড়তি সেনা মোতায়েনের ঘোষণাটি জানা যায়।

ওমান উপসাগরে দুই তেল ট্যাংকারে আক্রমণকে ঘিরে কিছুদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি প্রত্যাহারের এক বছর পর এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

সানাহান এক বিবৃতিতে জানান, সাম্প্রতিক হামলাগুলোর সঙ্গে ইরান ও তাদের ছায়া দলগুলো দলগুলো যুক্ত। তাদের সম্পর্কে আগে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্যগুলো নির্ভরযোগ্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। ইরান এই অঞ্চলে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের কর্মী ও তাদের স্বার্থের প্রতি হুমকিস্বরূপ। তাই এ সিদ্ধান্তে এসেছে দেশটি।

মে মাসের ট্যাংকার হামলার প্রেক্ষিতে এর আগে দেড় হাজার সেনা বাড়ানোর ঘোষণা আসে। তারও আগে তেহরানের ওপর অবরোধ আরও জোরালো করার ঘোষণা দেয় ওয়াশিংটন। সব দেশ ও কোম্পানিকে ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ করতে বলে।

এদিকে সোমবার ইরান জানায়, শিগগিরই চুক্তির চেয়ে বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করবে তারা। একে হোয়াইট হাউস ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র ‘নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সপ্তাহখানেক আগে যুক্তরাষ্ট্র একটি ভিডিও প্রকাশ করে। যেখানে ট্যাংকারে হামলার পেছনে রেভল্যুশনারি গার্ড রয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে ইরান জানায়, উপসাগরে নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের। যুক্তরাষ্ট্র যেন এই অঞ্চল ত্যাগ করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত