তিন কিশোর মিলিতভাবে যৌন নির্যাতন চালিয়েছিল তার ওপর। করেছিল প্রচণ্ড মারধরও। সেই নির্যাতনের পাঁচ দিন পর সংক্রমণের জেরে মৃত্যু হয় ১৫ বছর বয়সী আরেক কিশোরের।
তবে ছেলের সৎকারের মতো টাকা ছিল না রিকশাচালক বাবা-মায়ের। তাই ছেলের মরদেহ তারা ফেলে দেন নির্জন জায়গায়।
এই ঘটনা সামনে আসে শনিবার। খবর আনন্দবাজার।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গুরুগ্রামের অশোক বিহার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ওই কিশোরের বাবা বলেছেন, ‘যৌন নির্যাতনের পর পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। আইনি পথে গিয়ে লড়াই করার মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। তাই আমরা ওর দেহ ফেলে দিয়ে আসি।’
তিনি জানান, ছেলের মৃত্যুর পর তিনি ও তার স্ত্রী মিলে ছেলের মরদেহ খেরকিধৌলার নির্জন এলাকায় ফেলে দিয়ে আসেন।
পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোরের দেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনার পর গ্রেফতার করা হয়েছে ওই কিশোরকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তকে। কিশোরের মৃতদেহও ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
