দেশের কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতা, বন্দির সংখ্যা, কারা চিকিৎসকের শূন্য পদ ও চিকিৎসকের সংখ্যা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল রবিবার এসব তথ্য জানার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ। ছয় সপ্তাহের মধ্যে কারা কর্র্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি হাইকোর্ট রুল জারি করেছে। কারাবন্দিদের আইনগত অধিকার রক্ষায় মানসম্মত থাকার জায়গা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে কারা চিকিৎসকের শূন্য পদে নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি হবে না রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব (সুরক্ষা বিভাগ), আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, সমাজ কল্যাণ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও কারা মহাপরিদর্শককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। কারাগারে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি থাকা এবং তাদের চিকিৎসায় চিকিৎসকের অপ্রতুলতার বিষয়টি উল্লেখ করে কারাগারগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে এ রিট আবেদনটি করেন আইনজীবী জে আর খান রবিন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। রিটকারী আইনজীবী জানান, দেশে ৬৮টি কারাগার রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি কেন্দ্রীয় কারাগার। বাকি ৫৫টি বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত। এসব কারাগারে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ বন্দি রয়েছে। ফলে জেলকোড অনুযায়ী বন্দিদের যেটুকু থাকার জায়গা দরকার তারা তা পাচ্ছেন না।
