পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা লোকজন সরিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৯, ০৬:১৮ পিএম

শনিবার থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। জেলার নদী তীরবর্তী এলাকাসহ নিম্নাঞ্চলগুলোও প্লাবিত হয়েছে। প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।

এর মধ্যে বন্যা ও পাহাড় ধসে উপদ্রুত লোকজনের জন্যে জেলার ৭ উপজেলায় ১২৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী লোকজনকে সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে নিরাপদে সরে যেতে বলা হচ্ছে।

সোমবার সকালে বান্দরবান শহরের লাঙ্গিপাড়া এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা সদরসহ যেসব উপজেলায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি রয়েছে সেখান থেকে লোকজনকে দ্রুত সরিয়ে নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১২৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে যারা আশ্রয় নেবে, তাদের সবার জন্যে পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে।’

শনিবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলা সদর, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

সোমবার বিকেল পর্যন্ত বান্দরবান সদরের বাস স্টেশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাফেজঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সিদ্দিকী নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০টির বেশি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত