শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হচ্ছে। বড় বড় দেশ একের পর এক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে সরকার একের পর এক অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্প নগরী গড়ে তুলছে। ফলে আগামী ৫ বছর দেশে শিল্পের বিল্পব হবে। কর্মসংস্থানের সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের উন্নয়নই জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রধান লক্ষ্য।
শিল্পমন্ত্রী আরও বলেছেন, রায়পুরা উপজেলাকে আর দুর্গম অঞ্চল বলা যায় না। আমার মামার (রায়পুরার এমপি রাজু) নেতৃত্বে এখানকার যথেষ্ট উন্নয়ন কাজ হয়েছে। আমার মামা যেটুকু উন্নয়ন করেছেন, তারপরও যদি কিছু বাকি থেকে থাকে সেটুকু আমি করে দেব, ইনশাল্লাহ। রায়পুরার বাকি উন্নয়ন করাটা আমার কর্তব্য বলে আমি মনে করি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই কিন্তু প্রতিহিংসা যেন না থাকে।
নরসিংদীর রায়পুরায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। শনিবার দুপুরে উপজেলার রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি ২৪ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান ও রায়পুরা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফজাল হোসাইনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু এমপি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লে. কর্ণেল (অব.) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হীরু এমপি, নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার আশরাফ খান দিলীপ, নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন, নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন ভুইয়া, সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, রায়পুরা উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস ছাদেক, রায়পুরা পৌরসভার মেয়র মো. জামাল মোল্লা প্রমুখ।
এদিকে এই সংবর্ধনার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর শিল্পমন্ত্রীর নেতৃত্বে একই মঞ্চে সমবেত হয়েছেন জেলার সকল এমপিসহ জেলার শীর্ষ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে সকলে জেলার ঐক্যবদ্ধ উন্নয়নের কথা বলেছেন। সেই সঙ্গে সন্ত্রাস, হত্যা ও চাঁদাবাজির রাজনীতিকে বর্জনে ঐকমত্য পোষণ করেন।
