বয়সসীমা ইস্যুতে ছাত্রদলের কমিটি গঠন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে গঠিত সার্চ কমিটির সঙ্গে আন্দোলনরতদের বৈঠক সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন সার্চ কমিটির নেতারা।
বৈঠক শেষে ছাত্রদল নেতা ইখতিয়ার কবির দেশ রূপান্তরকে বলেন, সমঝোতা ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, সার্চ কমিটির নেতারা তাদেরকে দলের দুঃসময়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানান। জবাবে তারা তাদের দাবি মানতে বলেন। এ অবস্থায় কোনো সিদ্ধান্ত না জানিয়ে সার্চ কমিটির নেতারা বৈঠক শেষ করেন।
বৈঠকে বিক্ষুব্ধ এক ছাত্রদল নেতা সার্চ কমিটির সদস্য ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনি ২৬ বছর ধরে কৃষক দলের নেতা। এখন আবার সেই সংগঠনের আহ্বায়ক হয়েছে। এটা কীভাবে সম্ভব? এখানে আপনার কোনো বয়সের সীমাবদ্ধতা নেই। আপনার কারণে এই সংগঠনে নতুন নেতৃত্ব তৈরি হতে পারেনি।”
ওই ছাত্রদল নেতা আরও বলেন, “যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দল মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। সুপার ফাইভ দিয়ে তারা মেয়াদ শেষ করেছেন। এখন আপনাদের মতো বুড়োরাই ছাত্রদলের কমিটি ঠিক করতে এসেছেন।”
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে দলের বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।
বিক্ষুব্ধদের ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে ছিলেন, সাবেক সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, ইখতিয়ার রহমান কবির, মামুন বিল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম-সম্পাদক কাজী মুক্তার হোসেনসহ ৪০-৫০ জন নেতা।
