মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ছেলেধরা সন্দেহে চারজনকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। এদের মধ্যে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে। রবিবার রাতে এসব ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলায় ছেলেধরা সন্দেহে দু’জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আনিছুর রহমান ও সুসেন দাস জানান, রবিবার রাত ৮টায় উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের দেওড়াছড়া চা বাগান এলাকায় সানাউল্যাহ (২৫) নামে অপরিচিত যুবককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয়রা তাকে আটক করে। পরে ছেলেধরা সন্দেহে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। যুবকটি মানসিক ভারসাম্যহীন।
এদিকে বিকেল ৫টায় উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের উবাহাটা গ্রাম এলাকা থেকে ছেলেধরা সন্দেহে শহীদুর রহমান (৩২) নামে এক যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। আটক শহীদুরের বাড়ি কমলগঞ্জ উপজেলায়।
কুলাউড়ার হাজীপুরে ছেলেধরা সন্দেহে বসন্ত কর (২১) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। রবিবার রাতে উপজেলার পীরের বাজারের খাতাইর পার গ্রামে তাকে একটি বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখে স্থানীয়রা আটক করে। পরে কুলাউড়া পুলিশের কাছে তাকে সোপর্দ করা হয়। বসন্ত করের বাড়ি কমলগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার এলাকার আলেপুর গ্রামে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, দুই যুবককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া মৌলভীবাজারের শহরের চাঁদনীঘাট এলাকায় ছেলেধরা সন্দেহে রিকশাচালক চন্দন পালকে (৪৫) গণপিটুনি দিয়েছে স্থানীয় জনতা। খবর পেয়ে মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় চন্দনকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
