বন্দরের নাগিনা জোহা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মারপিটের ঘটনায় জড়িত ২ শিক্ষককে বহিষ্কার, এক শিক্ষককে সতর্ক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা পরিষদ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান। গতকাল বুধবার সকালে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তিনি এ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্টদের।
শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের তিনতলায় ইংরেজির শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ ওঠে। কয়েকজন ছাত্রী এ ঘটনা দেখে প্রধান শিক্ষক বদিউল আলমের কাছে নালিশ করে। প্রধান শিক্ষক বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিষদকে জানালে তারা ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গত সোমবার ক্লাস বর্জন করে স্কুলমাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। গত মঙ্গলবারও স্কুলে এসে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করতে চাইলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক রতনচন্দ্র সূত্রধর ও কাউছার আহমেদ বেত হাতে এলোপাতাড়ি মারধর করেন শিক্ষার্থীদের। মারধরের শিকার হয় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবদুর রহমান (১২), তাওহীদ (১১), সাব্বির (১১), রিফাত (১২), ষষ্ঠ শ্রেণির রিমনসহ বেশ কজন শিক্ষার্থী।
খবর পেয়ে সাংসদ সেলিম ওসমান নাগিনা জোহা উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়ে প্রথমে ইংরেজি শিক্ষক আল-আমিন, হিসাববিজ্ঞানের শিক্ষক কাউসার আহমেদ ও গণিত বিষয়ের শিক্ষক রতনচন্দ্র সূত্রধরকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন। পরে রতন চন্দ্রের পক্ষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একাংশ সাংসদের কাছে সুপারিশ করলে ওই শিক্ষককে সতর্ক করা হয়।
