ছেলে জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন অনেক আগেই। অথচ বুঝতেই পারেননি বৃদ্ধা মা। ঘরে দুর্গন্ধ পেয়ে প্রতিবেশীরা থানায় খবর দিলে দরজা ভেঙে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ।
ঘটনাটি গড়িয়ার রামগড়ের বলে জিনিউজের সংবাদে জানা গেছে।
রামগড়ের নেতাজিনগরে একটি বাড়ির নিচ তলায় বৃদ্ধা মাকে নিয়ে থাকতেন ৩৯ বছরের সোমনাথ কুণ্ডু। ১৫ দিন আগে সোমনাথের জন্ডিস ধরা পড়ে। তারপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
শুক্রবার বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকায় দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে পুলিশ দেখতে পায় সোমনাথের পচা দেহ। আর তার পাশেই শুয়ে রয়েছেন তার বৃদ্ধা মা উত্তমা কুণ্ডু। বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে সোমনাথের মরদেহ।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গত তিন বছর ধরে ওই বাড়িটিতে রয়েছেন সোমনাথ কুণ্ডু। বাড়িতে বসেই কম্পিউটার সারাইয়ের কাজ করতেন। অত্যন্ত মিশুক ছেলে বলে এলাকায় পরিচিতি ছিল সোমনাথের। কয়েকদিন আগে তার জন্ডিস হয়েছিল বলে পাড়া সূত্রে জানা গেছে। ছেলে যে মারা গেছে তা বুঝতেই পারেননি বৃদ্ধা মা। বাইরের কাউকে ডাকেননি অসুস্থ বৃদ্ধা মা।
এখন অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন সোমনাথের মা। তিনি বলেন, সোমনাথ আমার বড় ছেলে। চাকরি করে। জন্ডিস হয়েছিল। ওকে পানি খেতে বললাম। এতে প্রস্রাব হবে। তা হয়নি। অজ্ঞান হয়ে পড়ে গিয়েছে। তিন দিন হল অসুস্থ। ডাক্তার দেখানো হয়েছিল।
