স্ত্রী পালিয়ে গেছে প্রেমিকের হাত ধরে। চিন্তিত স্বামী বিচার দিলেন পঞ্চায়েতে। সেই বিচারে তিনি পেলেন ৭১টি ভেড়া। বিনিময়ে স্ত্রী হল বেহাত। স্বামী রাজেশ পাল আবার তা খুশি মনে মেনেও নিলেন!
ঘটনাটি ভারতের উত্তর প্রদেশের গোরক্ষপুরের চারপানি এলাকার।
শ্বশুরবাড়ি এলাকারই এক যুবক উমেশের সঙ্গে পালিয়ে যান সীমা পাল। পাকাপাকিভাবে উমেশের বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন তিনি।
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় গোটা চারপানি গ্রামে। ঘটনার সুবিচার চেয়ে পঞ্চায়েতে অভিযোগ জানান সীমার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। বিষয়টি সমাধানের জন্য একটা সালিশি সভার আয়োজনও করা হয়। সেই সভায় ডাকা হয় সীমার শ্বশুরবাড়ি এবং তার প্রেমিক উমেশের পরিবারকেও।
পঞ্চায়েত প্রধান সব শুনে যা রায় দিলেন তাতে সকলেই হতবাক হয়ে যান। চমকের আরও বাকি ছিল, কোনও আপত্তি না করেই সেই রায় খুশি মনে মেনে নেন উমেশ এবং সীমার স্বামী রাজেশ পালও।
পঞ্চায়েত প্রধান উমেশকে বলেন, সীমাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে পাকাপাকিভাবে রাখা যাবে একটা শর্তেই। সেই শর্তটা হল, সীমাকে পেতে গেলে তার স্বামী রাজেশকে ৭১টি ভেড়া দিতে হবে উমেশকে। ১৪২টি ভেড়া রয়েছে উমেশের। তার মধ্যে থেকে ৭১টি রাজেশের হাতে তুলে দেন উমেশ এবং সীমাকে নিয়ে পাকাপাকি ভাবে সংসার পাতার রাস্তাও পরিষ্কার করে ফেলেন।
প্রেমিকার জন্য ছেলের এই সিদ্ধান্তকে অবশ্য মেনে নিতে পারেননি উমেশের বাবা রামনরেশ। তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন। রাজেশের বিরুদ্ধে ভেড়া চুরির অভিযোগও দায়ের করেন।
রাজেশ বলছেন, ‘ভেড়া তো আমি চুরি করিনি। আমার স্ত্রীকে দিয়েছি, পরিবর্তে ভেড়া পেয়েছি!’
