সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান টুইটার তাদের প্ল্যাটফর্মে রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করেছে।
চীনের বিরুদ্ধে হংকংয়ের আন্দোলন নিয়ে আলোচনার ভেতর এই খবর দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। হংকংয়ের আন্দোলন ভিন্ন খাতে চালিয়ে দিতে প্রক্সি-সার্ভার ব্যবহার করে চীনের একাধিক টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ‘বিভ্রান্তিকর’ পোস্ট দেওয়া হচ্ছে।
টুইটার জানিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় তহবিলে পরিচালিত হয়, যারা করদাতাদের অর্থের ওপর নির্ভর করে না তারা টুইটারে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে পারবে না।
প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বাদে অন্য কাজে টুইটার ব্যবহার করতে পারবে অভিযুক্ত অ্যাকাউন্টগুলো।
টুইটার বলছে, বিজ্ঞাপনী এই নীতিমালা বিনোদন, স্পোর্টস কিংবা ভ্রমণ বিষয়ক খবরের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলবে না। এইসব খবরের ভেতর অন্য খবর যুক্ত থাকলে ব্লক করা হবে।
চীনে বন্দি প্রত্যর্পণ নিয়ে দুই মাস আগে প্রস্তাবিত একটি বিল বাতিলের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠা হংকংয়ের বিক্ষোভ এখন স্বাধীনতা আন্দোলনের রূপ নিয়েছে।
১৯৯৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এবারই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে চীনকে। বিক্ষোভ দমাতে কঠোর হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। সেদেশে টুইটার নিষিদ্ধ থাকলেও ‘অন্যভাবে’ অনেক নাগরিক এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি ব্যবহার করেন। সেখান থেকে হংকংয়ের আন্দোলনকারীদের তথাকথিত ‘ইসলামিক জঙ্গিদের’ সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
হংকংয়ের রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুরোপুরি গণতান্ত্রিক নয়। বিক্ষোভকারীদের বিরোধিতার পেছনে সেটা একটা কারণ। তারা গণতান্ত্রিক সংস্কারের আহ্বান জানাচ্ছেন।
অন্যদিকে চীন হংকংয়ের রাজনীতিতে বেশ কিছু হস্তক্ষেপ করেছে। বিক্ষোভের কারণ সেটিও।
