‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’র কমিটি ঘোষণা বিএনপির

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০১৯, ০৩:৩৪ পিএম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান ও কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’র ৬৬ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত কমিটিতে চিকিৎসক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, শিল্পী ও ব্যবসায়ী নানা শ্রেণি-পেশার মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এভাবে সারাদেশে কমিটি করে ফোরামের কার্যক্রম চালানো হবে বলে জানান কমিটির সদস্য সচিব নিপুন রায় চৌধুরী।

এই ফোরামের ৫ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটিও ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। অন্যরা হলেন- অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় এ কমিটি গঠন করা হয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ক্ষমতাসীন অথবা প্রভাবশালী মহল নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা আড়াল করতে চাইলেও তা হতে দেবে না জাতীয় নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম।

তিনি বলেন, এ ফোরাম তাৎক্ষণিকভাবে নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, তাদের চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা দেবে। এ কাজে তিনি মিডিয়ারও সহায়তা চান।

গয়েশ্বর বলেন, ফেনীর নুসরাত হত্যাকাণ্ড মিডিয়ায় আসার কারণেই জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে সরকার বাধ্য হয়েছে।

ফোরামের আহ্বায়ক সেলিমা রহমান বলেন, খুন-ধর্ষণের পৈশাচিক বিকৃতি আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাষ্ট্র সমাজের সর্বত্র ঘৃণা ছড়ানোর ফলে ক্ষমতা ঘনিষ্ঠ সমাজবিরোধীরা আশকারা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, অভিভাবকরা মেয়ে ও শিশু সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অনাচারমূলক দুঃশাসনে জবাবদিহিতার অভাবের কারণেই নারী ও শিশু নির্যাতন বৃদ্ধি পেয়েছে।

সেলিমা রহমানে দাবি, বর্তমান সরকারের আমলেই নারী ও শিশু নির্যাতন অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। কারণ অধিকাংশ নির্যাতনকারী সরকারি দলের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এ কারণে এ ধরনের জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার পরেও তাদের কেশাগ্রও কেউ স্পর্শ করতে পারছে না।

তিনি আরও বলেন, ৯ মাস বয়স থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধা ধর্ষকের লোলুপ দৃষ্টি থেকে কেউ বাদ যাচ্ছে না। এমনকি রেহাই পাচ্ছেন না বাকপ্রতিবন্ধী বা ভবঘুরে পাগলও।

গঠিত ফোরামের অন্য সদস্যরা হলেন- আজিজুল বারী হেলাল, আমিনুল হক, রাশেদা বেগম হিরা, মীর সরফত আলী সপু, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, লুৎফর রহমান কাজল, আফরোজা আব্বাস, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুহম্মদ মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নী, দীপেন দেওয়ান, মোাফিজুর রহমান বাবুল, ডা. রফিকুল ইসলাম, বেবী নাজনীন, মনিরুজ্জামান মনি, মিসেস বিলকিস ইসলাম, মিসেস ফরিদা ইয়াসমিন, মীর রবিউল ইসলাম লাবলু, খান রবিউল ইসলাম রবি, কাজী রফিক, একরামুল হক বিপ্লব, অ্যাডভোকেট সিমকি ইমাম খান, মশিউর রহমান বিপ্লব, লায়লা বেগম, সাইফুল ইসলাম,  রুমানা মাহমুদ, আলী আহম্মেদ, কনক চাঁপা, এলবার্ড পি কস্ট্রা, আবদুল খালেক, অ্যাডভোকেট আবু সেলিম চৌধুরী, এসএ সিদ্দিক সাজু, ইশরাক হোসেন, জাহেদুল আলম টিটো, মাহবুব আলমগীর আলো, রেজাউল হাসান কয়েস লোদি, অ্যাডভোকেট নুরুল হক, লিটন আকন্দ, সাজ্জাদ হোসেন লাবলু, সাঈদ আহমেদ, মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, রাশেদা ওয়াহিদ মুক্তা, শামীমা আকবর, তরুণ দে, রফিকুল ইসলাম জামাল, শাহ আহমেদ মোজাম্মেল চৌধুরী, মিসেস শামসুন্নাহার পান্না, আরিফা সুলতানা রুমা, অ্যাডভোকেট শামীমা আক্তার শাম্মী, মঞ্জুর এলাহী, আসিফ আলতাফ, সাদিয়া হক, অধ্যক্ষ রফিকা আফরোজ, দেওয়ান মাহমুদা আক্তার লিটা ও রিটা আলী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত