টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা নিহত

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১:৪৪ এএম

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মোহাম্মদ হাসান (২৮) নামের রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছে। সোমবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার জাদিমুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ বলছে, নিহত যুবক যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামি। তিনি টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ই-ব্লকের হামিদ উল্লাহর ছেলে।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, ৫টি তাজা কার্তুজ ও ৮টি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে বলে দাবি করছে পুলিশ।

টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গত ২২ আগস্ট টেকনাফের হ্নীলার যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামিসহ একদল রোহিঙ্গা টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়।

পুলিশকে দেখেই সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা যুবক গুলিবিদ্ধ হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ যুবককে উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নে্ওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ।

সেখানে তাদেরকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকসহ তিন সদস্য আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন- এসআই সাব্বির আহমদ (৩০), কনস্টেবল লিটন (২১) ও বাহার (২৮)। ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরা এলাকায় বাড়ির সামনে থেকে হ্নীলা ইউনিয়নের ৯নং যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে (৩০) তুলে নিয়ে পাহাড়ে গুলি করে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী। খবর পেয়ে নিহত ফারুকের ভাই আমির হামজা ও উসমানসহ স্বজনেরা সেখানে গেলে সন্ত্রাসীরা তার মরদেহ আনতেও বাধা দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ওমর ফারুকের লাশ উদ্ধার করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত