অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতের অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ১৮ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে প্রশাসন। গত ৩ আগস্টের বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে বহিষ্কার আদেশের তথ্য জানানো হয়।
প্রকাশিত অফিস আদেশ থেকে জানা যায়, গত ৯ জানুয়ারি বটতলা এলাকায় তিন শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অপরাধে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী রিজওয়ান রাশেদ সোয়ানকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই অপরাধে প্রতœতত্ত্ব বিভাগের ৪৭তম আবর্তনের কে এম মাহিদ হাসানকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গণিত বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে একই বিভাগের ৪২ ব্যাচের তোজাম্মেল হোসেনের ছাত্রত্ব বাতিল করে আজীবন বহিষ্কার করা হয়। চারুকলা বিভাগের এক ছাত্রকে নিপীড়নের অভিযোগে একই বিভাগের আশিকুর রহমান ও সৌরভ চক্রবর্তীকে এক বছরের জন্য এবং জাকিয়া সুলতানা দিনা ও ফাহমিদা খানম অদিতিকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। মনির হোসেন নামে একজনকে মারধর ও ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে ৪৫ ব্যাচের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের রায়হান পাটোয়ারী, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের মো. আল রাজী, দর্শন বিভাগের মোকাররম হোসেন শিবলু, সিএসই বিভাগের শাহ মোস্তাক আহমেদ সৈকতকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার ও ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং ৪৪ ব্যাচে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সঞ্জয় ঘোষকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিংপুল এলাকায় এক ছাত্র ও এক বহিরাগতকে মারধরের অভিযোগে লোকপ্রশাসন বিভাগের ইয়া রাফিউ শিকদার, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা, বাংলা বিভাগের শুভাশীষ ঘোষ, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের নেজামুদ্দিন নিলয়কে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে র্যাগিংয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৪৭ ব্যাচে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শিহাবকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
