শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রভাসের অশালীন আচরণ, দর্শকের প্রতিবাদ

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:০৯ পিএম

মুক্তির অল্প কয়েক দিনেই বক্স অফিসে শত কোটি রুপি আয় করেছে প্রভাস ও শ্রদ্ধা অভিনীত ‘সাহো’। যদিও পর্বত পরিমাণ বাজেটের তুলনায় এই আয় নস্যি। সমালোচকরাও খুব একটা ভালো বলছেন না ছবিটি নিয়ে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, এরই মধ্যে ‘সাহো’তে নারীর পণ্যায়ন নিয়ে বিতর্ক জোরদার হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে অভিযোগ করেছেন, ‘মিটু’কে প্রশ্রয় দিয়েছেন পরিচালক সুজিত।

‘সাহো’তে প্রভাস ও শ্রদ্ধার পর্দা রসায়ন নিয়ে সমালোচকদের বক্তব্য মিশ্র। সঙ্গে বলা হচ্ছে, প্রভাস অভিনীত অশোক চক্রবর্তী চরিত্রটি নারীদের প্রতি অবমাননাকর আচরণ করেছে। এর আগে ‘কবীর সিং’ ও ‘অর্জুন রেড্ডি’ ছবিতে নারীর পণ্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দর্শক।

টুইটারে নচিকেতা গুহ লেখেন, “কাজের জায়গায় নারীদের যৌন হেনস্তার মতো ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ হলো শ্রদ্ধা কাপুরের মতো অভিনেত্রীর ‘সাহো’র মতো ছবিতে অভিনয়।” ‘মিটু’ হ্যাশট্যাগ দিয়েই এই টুইটটি করেন তিনি। আরেকজন লেখেন, “সাহো হলো কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্তার একটি গাইড।”

ছবির দু-একটি সিকোয়েন্স নিয়ে প্রবল আপত্তি উঠেছে। একজন লেখেন, “নায়ক অশোক সিনেমার প্রথম ভাগে নায়িকা অমৃতার সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলতে বলতে মাত্রা ছাড়িয়ে যায় এবং সেই নিয়ে নায়িকা ও তার অন্য পুরুষ সহকর্মীরা কোনো প্রতিবাদ করে না। ‘মিটু’র যুগে কী করে এই ধরনের ব্যাপার ঘটতে পারে কাজের জায়গায়?” চিত্রনাট্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সিনেমার প্রথম দৃশ্যে প্রভাস দেয়াল বেয়ে ওঠার সময়ে দুবার শ্রদ্ধাকে অশালীনভাবে স্পর্শ করে বলেও অভিযোগ উঠছে। অবশ্য এই অভিযোগ নিয়ে কোনো বিবৃতি দেননি নায়ক, পরিচালক অথবা প্রযোজনা সংস্থা।

এর আগে প্রভাসের ‘বাহুবলি’র প্রথম কিস্তির ক্ষেত্রেও নারীর পণ্যায়নের অভিযোগ উঠে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার প্রভাসের ছবি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন নারীবাদীরা। তবে ভারতীয় সিনেমায় এই ধরনের দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়- বলছেন অনেকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত