জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এবার উপাচার্যের পক্ষে মৌন মিছিল করেছে শিক্ষকদের একাংশ। চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিঘ্নসৃষ্টি ও উপাচার্যের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলে সোমবার মিছিল শেষে পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা। এতে উপাচার্যপন্থি হিসেবে পরিচিত শতাধিক শিক্ষক অংশ নেন।
পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মুজিবুর রহমান দাবি করেন, এ কর্মসূচিতে ২৩০ শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এদিন নতুন কলাভবন সংলগ্ন মুরাদ চত্বরে গণসংগীত পরিবেশন করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, ‘এই উপাচার্য দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্বে আছেন। তার দক্ষতা ও সততার কারণেই সরকার এত বড় একটি প্রকল্পের অর্থায়ন ও অনুমোদন দিয়েছে। অথচ একটি গোষ্ঠী এটাকে বাধা দিতে চেষ্টা করছে।’
শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার বলেন, ‘আসুন আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করি। কিন্তু পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া ও উপাচার্যের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা অন্যায়।’
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর মানববন্ধন করেন উপাচার্যপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
জাবিতে সাড়ে চৌদ্দশ কোটি টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যান ‘অপরিকল্পিত’ দাবি করে আন্দোলন করে আসছিল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ। এর মধ্যে প্রকল্পের টাকা থেকে ছাত্রলীগকে দুই কোটি টাকা ভাগবাটোয়ারা করে দেওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে অভিযোগের বিচার বিভাগীয় তদন্তসহ তিন দফা দাবিতে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আরও জোরদার আন্দোলনে নামেন। জাবি ছাত্রলীগ ও উপাচার্যপন্থি শিক্ষকরা টাকা লেনদেনের বিষয়টিকে মিথ্যা দাবি করে পাল্টা কর্মসূচি দেয়।
