প্রকৃতি নাকি কারো ইচ্ছা অপূর্ণ রাখে না। ক’দিন আগে চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হার এড়াতে প্রকৃতির কাছে কি প্রার্থনাই না করেছে বাংলাদেশের দর্শকরা। এমনকি ক্রিকেটাররাও। সেদিন কথা রাখেনি প্রকৃতি।
বৃষ্টি বাগড়ার দিনেও বাংলাদেশ হেরেছে সিরিজের একমাত্র টেস্টটিতে। এবার সেই প্রকৃতিই বুঝি বাংলাদেশকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া উচিত মনে করল। আর সে কারণেই বোধ হয় যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে আফগানিস্তানকে হতাশ করে বাংলাদেশ তুলে দিল ফাইনালে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে হারের ক্ষত কি কোনো দিন ভুলতে পারবে বাংলাদেশ? টেস্ট ক্রিকেটে একেবারেই নবীন দেশ আফগানিস্তান। চট্টগ্রাম টেস্টের আগে যাদের মাত্র দুটি টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই দলটার বিপক্ষেই কি অসহায় আত্মসমর্পণ সাকিব আল হাসানদের।
সে তুলনায় যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠা তেমন কিছু নয় হয়তো। আবার অতীত ইতিহাসের দিকে তাকালে এদিনের প্রাপ্তিকেই বা খাটো করার উপায় কি। আগের সাত আসরে কখনোই যে ফাইনাল খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। সেখানে আফগানিস্তান ২০১৭ আসরের চ্যাম্পিয়ন।
বৃহস্পতিবার মোরাতুয়ায় আফগানদের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচটি তাই সহজ হওয়ার কথা ছিল না মোটেও। তার ওপর চট্টগ্রাম টেস্টে হারের পর দিনই ফুটবলেও আফগানিস্তানের কাছে হারে বাংলাদেশ। তাই আফগানিস্তান যেন এক ‘জুজু’ হয়েই দাঁড়িয়েছিল।
তবে যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে কোনো পরীক্ষাই দিতে হলো না। বৃষ্টি পুরো ম্যাচ পণ্ড করল। গ্রুপ পর্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ পেল ফাইনালের টিকিট। সেটি আফগানিস্তানকে না হারিয়েই!
ভারত ও স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার মধ্যকার আরেক সেমিফাইনাল ম্যাচও বৃষ্টিতে পণ্ড হয়। সেই ম্যাচ থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে ভারত। শনিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শিরোপার জন্য লড়বে বাংলাদেশ ও ভারত।
