ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। শরীয়তপুরের জাজিরায় সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ১৭ জন। এ ঘটনায় পুলিশ আটক করেছে পাঁচজনকে। দুই ঘটনাই ঘটে গতকাল শনিবার সকালের দিকে।
সরাইলে সংঘর্ষে নিহতের নাম শামছু মিয়া (৭০)। উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বোড্ডা গ্রামের লোকজনদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সরাইল থানার ওসি শাহাদৎ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করে। প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে শামছু মিয়ার মৃত্যু হয়েছে।
ওসি আরও জানান, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বোড্ডা গ্রামের লোকজনদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ আহতের মধ্যে ১০ জনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলেন রবি রহমান (৫৫), এরশাদ মিয়া (৩৭), সায়েদুল মিয়া (২২), আলাল (৪০), আব্দুর রহিম (৬০), শেখ রাকিব (৪০), শেখ হোসেন (৪২), জাবেদ (৩৫), শরীফ (২০) ও বাবুল মিয়া (২০)।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার আধিপত্য নিয়ে বোড্ডা গ্রামের ইউপি সদস্য অলি আহাদ ও সর্দার শামছু মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল।
অন্যদিকে, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ভোলাই মুন্সীকান্দি ও শাকিম আলি মাদবরকান্দি গ্রামের মন্টু ও এমদাদের গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অন্তত ১৭ জন আহত হয়। বেলা ১১টার দিকে দফায় দফায় সংঘর্ষের পর পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ।
আহতদের জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর মধ্যে পাঁচজনকে পাঠানো হয়েছে ঢাকায়। ঘটনার পর পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে গ্রাম দুটি।
জাজিরা থানার ওসি বেলায়েত হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা পাঁচজনকে আটক করেছি।
