‘সার্ভিস প্যাসেজে’ ময়লা পেলে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: মেয়র আতিকুল

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:৫৭ এএম

এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসকরণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৬টি ওয়ার্ডে দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও চিরুনি অভিযান’ শুরু হয়েছে।

রবিবার ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ২ নম্বর গেটের সামনে এ অভিযান উদ্বোধন করেন।

এ সময় তিনি বলেন, প্রথম ধাপে পরিচালিত চিরুনি অভিযান থেকে আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমরা জানি কোথায় কোথায় এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে। প্রথম পর্যায়ের চিরুনি অভিযানে কোনো বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলেও তাদের জরিমানা করা হয়নি, সতর্ক করা হয়েছিল। তবে এবার কারও বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি কোনো ‘সার্ভিস প্যাসেজে’ (দুই ভবনের মাঝের জায়গা) ময়লা-আবর্জনা পাওয়া গেলে সেই সার্ভিস প্যাসেজের পাশের ভবনের সব ফ্ল্যাট মালিকের বিরুদ্ধে ময়লা-আবর্জনা ফেলার অপরাধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাসা-বাড়ি, কর্মস্থল, দোকানপাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সর্বক্ষত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ের চিরুনি অভিযানের মতো এ অভিযানেও প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি ব্লকে এবং প্রতিটি ব্লককে ১০টি সাব-ব্লকে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সাব-ব্লকে ৮ থেকে ১০ জন পরিচ্ছন্নতা ও মশককর্মীদের একটি দল চিরুনি অভিযান পরিচালনা করবে। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডে ১টি ব্লকের ১০টি সাব-ব্লকে ১০টি দল চিরুনি অভিযান পরিচালনা করবে। এভাবে ১০ দিনে ৩৬টি ওয়ার্ডে এই অভিযান সম্পন্ন হবে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলররা চিরুনি অভিযানের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন।

ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানান, গত ২৫ আগস্ট থেকে ১০ দিনব্যাপী প্রথম দফা চিরুনি অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফা অভিযানে ৩৬টি ওয়ার্ডে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ২১৯টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে মোট ২ হাজার ১৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬৭ হাজার ৭৫৮টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী স্থানে জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। সেসব স্থান ধ্বংস করে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত