বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে শুটিং চায় বাংলাদেশ

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:১২ এএম

গত জুনে কমনওয়েলথ গেমস ফেডারেশনের সভায় যখন শুটিং নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি, তখনই নিশ্চিত হয়ে যায় ২০২২ বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসে খেলাটি থাকছে না। নিরাপত্তার অজুহাতে খেলাটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়ে রেখেছিল গেমস

কর্র্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের জন্য যা এসেছে বড়সড় দুঃসংবাদ হয়ে। তাই তো খেলাটি রাখতে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। বাংলাদেশের মতো ভারত এবং অস্ট্রেলিয়াও দাবি জানিয়েছে। শুটিং অন্তর্ভুক্ত করতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কমনওয়েলথ, জাতিসংঘ এবং দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক মন্ত্রী বরাবর আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছেন। গতকাল বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিষয়টি অবহিত করেছে। যেখানে শুটার বাকী বলেছেন, ‘এটা আমাদের জন্য অনেক বড় মঞ্চ। যেখানে শুটিংই শুধু পদক এনে দিচ্ছে দেশকে। এটা পরের আসরে না থাকাটা হবে দুঃখজনক। আশা করি এটা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’

বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সাহেদ রেজা বলেন, ‘কমনওয়েলথ গেমস ফেডারেশনের সর্বশেষ সভায় আমি এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করি। সেখানে শুটিংয়ের পাশাপাশি আরচারি এবং ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তির জন্য অনুরোধ করি।’  

সেই ১৯৯০ সাল থেকেই শুটিং সুফলা ডিসিপ্লিন হয়ে দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের জন্য। দলগত পিস্তল ইভেন্টে স্বর্ণপদক এনে দিয়ে শুরুটা করেছিলেন আতিকুর রহমান ও আবদুস সাত্তার নিনি। এরপর ২০০২ সালে ম্যানচেস্টার গেমসে আসিফ হোসেন খান ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে এনে দেন স্বর্ণপদক। এরপর থেকে প্রতিবারই এক বা একাধিক পদক এনে দিয়েছেন শুটাররা। কমনওয়েলথ গেমসের ইতিহাসে বাংলাদেশের সাফল্য বলতে শুটিংই। সর্বশেষ গোল্ড কোস্ট গেমসে আবদুল্লাহ হেল বাকী ও শাকিল আহমেদ এনে দেন দুটি রৌপ্যপদক।॥

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত