রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে মুক্তি চান ৫ কাশ্মীরি নেতা

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৫৪ এএম

কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত না থাকার মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেতে চাইছেন ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের শীর্ষ কয়েকজন নেতা।

একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করেছে ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

মুচলেকা দেওয়া এসব নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- ফারুক আবদুল্লাহর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল কনফারেন্সের দুই নেতা, মেহবুবা মুফতির পিডিপি ও সাজ্জাদ গনি লোনের পিপলস কনফারেন্সের একজন করে নেতা এবং হুরিয়াতের একজন স্বাধীনতাকামী নেতা।

একজন শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা সূত্রে দ্য হিন্দু জানায়, মুক্তি পেয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।

আগস্টের শুরুতে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের সময় থেকে এই নেতারা বন্দি আছেন। ফৌজদারি আইনে সিআরপিসির ১০৭ ধারায় তাদের আটক করা হয়।

মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পাওয়ার জন্য বন্ড সাইন করা নেতাদের মধ্যে আছেন হুরিয়াতের শীর্ষ নেতা স্বাধীনতাকামী আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির মিরওয়াইজ ওমর ফারুক। এ ছাড়া ন্যাশনাল কনফারেন্সের দুজন সাবেক বিধায়ক, পিডিপির একজন সাবেক বিধায়ক এবং পিপলস কনফারেন্সের একজন নেতা।

প্রসঙ্গত গত বছরের ২১ নভেম্বর গভর্নর সত্যপাল মালিক জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা ভেঙে দেন।

ওই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন “সিআরপিসির ধারা ১০৭ এর অধীনে আটককৃত কোনো ব্যক্তি যদি এই বন্ডে স্বাক্ষর করে এবং পরবর্তীতে এটি লঙ্ঘন করে তবে গ্রেপ্তারসহ তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই বন্ড সই দিয়ে মুক্তি হয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া নিষিদ্ধ।

তবে শ্রীনগরে সরকারি একটি হোটেলকে অস্থায়ী জেল বানিয়ে সেখানে বন্দি করে রাখা তরুণ রাজনৈতিক নেতা ও সাবেক আমলা শাহ ফয়সাল, পিপলস কনফারেন্সের প্রধান সাজ্জাদ লোন এবং পিডিপির যুব শাখার নেতা ওয়াহিদ পেরাসহ ৩৫ জন কাশ্মীরি নেতা মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেতে রাজি নন বলে ওই সরকারি সূত্র জানায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত