নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার এখলাসপুরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে দুই মাদকসেবীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ইয়াবাসেবীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলায় এক এসআইসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। গত রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহত পুলিশ কর্মকর্তা রেজাউল করিম একটি মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার চারজনকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, বেগমগঞ্জ থানার এসআই রেজাউল করিম রাতে প্যাট্রল ডিউটি করার সময় পশ্চিম এখলাসপুর ঠাকুরবাড়ি এলাকার সামনে থেকে হানিফ মজুমদার ওরফে মিলন (২৮) ও ফজলে রাব্বি সোহেলকে (৩০) ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় আটক করেন। এরপর গাড়িতে ওঠানোর সময় তাদের চিৎকারে আশপাশ থেকে লোকজন জড়ো হয়ে তাদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ বাধা দিলে হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে রেজাউল করিমসহ পুলিশ কনস্টেবল শামছুদ্দিন ও মো. তারেক মিজিকে আহত করে তাদের আটকে রাখে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান শেখ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করেন। এ সময় ওই দুই মাদকসেবীসহ পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে মো. ইমাম হোসেন ওরফে রাজু (৩০) ও শাহাদাত হোসেন সাজুকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে এ ঘটনায় রেজাউল করিম বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন।
বেগমগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নূর আলম এ বিষয়ে জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই নোয়াখালী আওয়ামী লীগের সদস্য সাজেদা আক্তার লাভলীর অনুসারী। মামলায় গ্রেপ্তার চারজনসহ লাভলী ও অজ্ঞাতনামা সাত-আটজনকে আসামি করা হয়েছে। এ বিষয়ে সাজেদা আক্তার লাভলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।
