ভানুয়াতুর আদালতে মানব পাচারসহ নানা অভিযোগ অস্বীকার করলেন চার বাংলাদেশি। তবে তাদের জামিন আবেদন আবারও অগ্রাহ্য করা হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশটিতে বাংলাদেশের ১০২ নাগরিককে আটক করা হয় গত বছর। যাদের চাকরির আশা দিয়ে আনলেও দাস হিসেবে কাজ করানো হয়।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন সেকদাহ সুমন, নাবিলা বিবি, পলাশ হোসেন ও আনোয়ার হোসেন।
ভানুয়াতু ডেইলি পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, এই চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে দাসবৃত্তি, অর্থপাচার ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযুক্তদের একজন সুমন মিস্টার প্রাইস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে পরিচিত। পাচার হওয়া ব্যক্তিদের তিনি কাজ করতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ আনেন প্রসিকিউটর।
উদ্ধার হওয়ার বাংলাদেশিদের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন ও ভানুয়াতু সরকারের উদ্যোগে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ইতিমধ্যে আদালত পঞ্চমবারের মতো অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জামিন আবেদন অগ্রাহ্য করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তারা ছাড়া পেলেই অন্য পাসপোর্টের মাধ্যমে ভানুয়াতু ত্যাগ করবেন।
মামলার অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে পাবলিক প্রসিকিউটর জোসিয়া নাইগুলেভুর প্রশংসা করেন প্রধান বিচারপতি ভিনসেন্ট লুকাবেক। জোসিয়া জানান, এ ঘটনায় ৩০ জন সাক্ষী রয়েছে।
তবে রায়ের দিনক্ষণ এখনো জানানো হয়নি।
