যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যকার বিতর্কিত ফোনালাপের বিস্তারিত হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা লুকিয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসকারীর অভিযোগে এ কথা বলা হয়েছে।
বিবিসি জানায়, ওই ফোনালাপে নিজের দেশীয় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য জেলেনস্কিকে চাপ দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
নতুন প্রকাশিত অভিযোগে বলা হয়, ফোনালাপের বিস্তারিত সচরাচর যে কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষণ করা হয় সেখানে রাখা হয়নি। বরং রাষ্ট্রীয় অতিগোপনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা হয় এমন কম্পিউটার সিস্টেমে রাখা হয়েছিল।
এ ঘটনায় প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিশংসন তদন্ত প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২০২০ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট মনোনয়ন প্রার্থী জো বাইডেনকে কালিমালিপ্ত করতে ট্রাম্প বিদেশি সাহায্য চেয়েছেন এবং এক্ষেত্রে ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তাকে তিনি দর-কষাকষির হাতিয়ার করেছেন।
জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনালাপের কয়েক দিন আগে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন সামরিক সহায়তা আটকে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। তবে বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে চাপ দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন তিনি।
জো বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ২০১৬ সালে ইউক্রেনের প্রসিকিউটর ভিক্টর শোকিনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পেছনে তার ভূমিকা ছিল।
শোকিনের অফিস বুরিস্মা নামের একটি গ্যাস কোম্পানির অনিয়ম তদন্ত শুরু করেছিলেন, যে কোম্পানির বোর্ড সদস্য ছিলেন বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন।
