মিরসরাইয়ে শারদীয়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমাশিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এ বছর ৮৬টি ম-পে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা ম-পগুলো দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মিরসরাই উপজেলার দুটি থানার অধীনে পূজা ম-পগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৮৬টি পূজাম-পের মধ্যে ৪৬টি ম-পের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। বাকি ৪০টির দায়িত্বে থাকবে মিরসরাই থানা পুলিশ।
সরেজমিনে বিভিন্ন পূজাম-প ঘুরে দেখা গেছে, মৃৎশিল্পীদের নির্ঘুম রাত কাটছে। ঠিক সময়ে খাওয়া-দাওয়ার সময় নেই। শুধু কাজ আর কাজ। তারা শেষ আঁচড় টানছেন প্রতিমার গায়ে।
মাদারীপুর জেলা থেকে মিরসরাইয়ের খিল হিঙ্গুলী দুর্গা মন্দিরে প্রতিমা তৈরি করতে আসা মৃৎশিল্পী গণেশ পাল জানান, এ বছর তিনি প্রায় ২০টি প্রতিমা তৈরির অর্ডার নিয়েছেন। ইতিমধ্যে সব কটি প্রতিমার মাটির কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে রঙের কাজ। তবে তার তৈরি প্রতিমার পরিমাণ চট্টগ্রামে বেশি।
প্রতিমাশিল্পী গণেশ পাল আরও জানান, কাজ ও আকারভেদে একটি প্রতিমা তৈরি করতে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন। প্রতিবছর শারদীয়া দুর্গাপূজার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পূজা উপলক্ষে প্রতিটি মন্দিরে বাড়তি আলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া থাকে বাড়তি নিরাপত্তা। প্রতিটি বাড়িতে তৈরি করা হয় নারকেলের নাড়–সহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার।
