‘কামরুল হাসান মঞ্জুর শেষ জীবনের খবর আমরা অনেকেই রাখিনি। একসঙ্গে যারা আবৃত্তিকে ভালোবেসে পথ হেঁটেছি, পাশে থাকা মানুষটি কেন ছিটকে গেলেন, কেন দূরে সরে গেলেন সে খবরটি জানা জরুরি।’
গতকাল শুক্রবার কামরুল হাসান মঞ্জুর স্মরণসভায় এ কথা বলেন সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী ও আবৃত্তিশিল্পী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, ‘মঞ্জু আমার ছোট ভাইয়ের বন্ধু, সে সূত্রে আমাদের বাড়িতে যেত। পরবর্তী সময়ে ওর সাথে আবৃত্তি নিয়ে অনেক স্বপ্নের কথা শেয়ার করেছি। দেশের আবৃত্তিশিল্পকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় সে ব্যাপারে আমরা একসঙ্গে অনেক পরিকল্পনা করেছি। মঞ্জুর সাথে আমার অনেক বেশি কথা হতো না, কিন্তু অনেক প্রয়োজনীয় কথা হতো। আবৃত্তিকে ঘিরেই স্বপ্ন দেখত মঞ্জু।’
রাজধানীর একটি হাসপাতালে গত শনিবার মৃত্যুবরণ করেন কামরুল হাসান মঞ্জু।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে স্মরণসভার আয়োজন করে আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আহ্কাম উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কামরুল হাসান মঞ্জুকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন সাংবাদিক মুন্নী সাহা, মিথিলা ফারজানা, মীর মাসরুর জামান রনিসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের সাংগঠনিক আবৃত্তিচর্চাকে এগিয়ে নিতে নানাভাবে কাজ করেছেন কামরুল হাসান মঞ্জু। আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে যেমন অসংখ্য তরুণের আদর্শ হয়েছেন, আবার আবৃত্তিশিক্ষক, সংগঠক হিসেবেও ভূমিকা রেখেছেন আবৃত্তিশিল্পের বিকাশে। মঞ্জুকে দেখেই অনেক তরুণ আবৃত্তিশিল্পে যুক্ত হয়ে কাজ করছে।
কামরুল হাসান মঞ্জুর ছোট ভাই মইনুল হাসান বিপ্লব বলেন, ‘আমার ভাইকে মানুষ ভালোবাসত, এটা আমাদের জন্য গর্বের। আমার দেখা ভীষণ ভালো মানুষদের একজন কামরুল হাসান মঞ্জু।’
