ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করেও রক্ষা পায়নি কিশোরী। তবে সহজে হার মানেনি সে, ধর্ষণ ঠেকাতে ধর্ষকের কাঁধে জোরে কামড় বসিয়ে দিয়েছিল। পরবর্তীতে সেই কামড়ের দাগই কারাগারে নিয়ে গেল দুই ধর্ষককে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ২০১৩ সালে বঙ্গোপসাগর উপকূলে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচ্চেরিতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এক বাস কন্ডাক্টর ও তার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া এক বন্ধু মিলে নির্মমভাবে ধর্ষণ করেছিল ওই স্কুলছাত্রীকে।
সম্প্রতি অপরাধ তদন্তের ফরেনসিক সায়েন্সের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাউথ ইন্ডিয়া মেডিকো লিগ্যাল অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে এই ঘটনার কথা উঠে আসে।
দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের বিচার চেয়ে লড়াই করে যাচ্ছিল ১৭ বছর বয়সী ওই ভুক্তভোগী নারী। পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত অবহেলার অভিযোগ আনে সে। শেষ পর্যন্ত সেই ঘটনার তদন্ত যায় সিআইডির কাছে এবং আদালতে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণের কোনো তথ্য প্রমাণ না থাকলেও একজনের কাঁধে কামড়ের দাগ দেখেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায় গোয়েন্দারা। শেষ পর্যন্ত মেয়েটির ডেন্টাল রেকর্ডের সঙ্গে বাস কন্ডাক্টরের কাঁধের দাগ মিলিয়ে দেখা হয়। এতেই বেরিয়ে আসে মূল ঘটনা এবং দোষী সাব্যস্ত হয় দুই ধর্ষক।
