সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে যাওয়া নবজাতকের মা-বাবার পরিচয় পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় তাদের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়।
ফেনীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সহায়’-এর সমন্বয়ক মঞ্জিলা আক্তার মিমি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সহযোগিতায় প্রথমে নবজাতকের মাকে খুঁজে বের করেন। পরে তার জবানীতে নবজাতকের বাবার পরিচয় পাওয়া যায়।
জন্মের দুদিন পর গত ২৫ সেপ্টেম্বর লোকলজ্জার ভয়ে নবজাতকের মা তাকে কৌশলে সোনাগাজী হাসপাতালের দোতলায় রেখে পালিয়ে যান। পরে নবজাতককে উদ্ধারের পর উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে ২৭ সেপ্টেম্বর দৈনিক দেশ রূপান্তর-এ ‘হাসপাতালে নবজাতক রেখে পালালেন মা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
শিশুর মা জানান, সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপুর গ্রামের ট্রাকচালক ওই শিশুর জন্মদাতা। ওই এলাকায় তার খালার বাড়ি। সেখানে বেড়াতে যাওয়ার সুবাদে তার সঙ্গে দুই বছর আগে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে মেলামেশার একপর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও বিয়ে করেননি ওই ট্রাকচালক।
সহায়ের সমন্বয়ক মঞ্জিলা মিমি বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর ওই হাসপাতালে গিয়ে শিশুর দায়িত্ব নেন তার মা। তার অবস্থা এখনো বেশ সংকটাপন্ন। সন্তানের স্বীকৃতি দিয়ে শিশুকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
