ফেসবুকে পরিচয়ের পর দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার ছাত্রী

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০১৯, ১১:১৩ পিএম

খুলনার রূপসা উপজেলার নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত রূপসার শ্রীফলতলা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

এর আগে বুধবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

গ্রেপ্তারতরা হলো মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চাপড়ি গ্রামের নিয়ামুল শেখ (২০), রিয়াজ (১৮), রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের মোছাব্বরপুর গ্রামের শরীফুল ইসলাম (২৬), আসাদুল মোড়ল (১৮), কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিশাগুনি গ্রামের নাঈম শেখ (১৮) ও সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার খলিশা বুনিয়া গ্রামের সোহেল রানা (১৮)।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, বুধবার ওই ছাত্রী নিয়ামুল নামের এক তরুণের সঙ্গে খুলনা নগরীর হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। দুই-তিন মাস আগে তাদের ফেসবুকে পরিচয় হয়। ওই ছাত্রীর সঙ্গে তার আট বছরের খালাত ভাই ছিল। নিয়ামুল ভুক্তভোগীকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ধর্ষণ করে। এ সময় মামলার দুই আসামি তাকে ধর্ষণের সহায়তা করেন। পরে মামলার অপর চার আসামি ঘটনা দেখে এগিয়ে যায় এবং বাকি তিন আসামিকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। 

ঘটনার পর ওই মাদ্রাসাছাত্রী বাড়ি গিয়ে তার মা ও খালার কাছে বিষয়টি জানায়। পরে বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগীর মা রূপসা থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন। তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটকের পর ভিকটিমের মায়ের দেওয়া অভিযোগ লিখিত নিয়ে থানায় নথিভুক্ত করা হয়। 

খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. নূর আলম সিদ্দিকী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের বিশেষ টিমের অভিযান শুরু হয়। অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রী বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (খুমেক) ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত