বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাইয়ে সন্ধ্যায় মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও কাতার। প্রতিপক্ষ প্রবল শক্তিধর। যারা কিনা এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন। সেই দলটার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে লড়াইয়ের কথাই বলেছে বাংলাদেশের ফুটবলাররা। এমনকি অবিশ্বাস্য হলেও জয়ের কথাটাও বলেছেন কোচ থেকে শুরু করে খেলোয়াড়রা। এর জন্য আনমনে একটা প্রার্থনাও কি ছিল না জামাল ভূঁইয়াদের?
প্রার্থনাটা প্রকৃতির কাছে। বৃষ্টির জন্য! আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশের জন্য বৃষ্টি যে সব সময়ই আশীর্বাদ হয়েই এসেছে। বৃহস্পতিবার ম্যাচ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বেশ ভারী বর্ষণই হয়ে গেল। বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া বৃষ্টি সমর্থকদের মনেও এক ধরনের প্রশান্তি বইয়ে দিয়ে গেল যেন। সংবাদমাধ্যম কর্মীরা পর্যন্ত বৃষ্টি নিয়ে মজা করছেন।
আসলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থা মোটেও ভালো নয়। একটু বৃষ্টিতেই মাঠ কাদায় একাকার হয়। এমন মাঠে আন্তর্জাতিক দলগুলো সুবিধা করতে পারে না। ক’দিন আগে ভুটান যেমন দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলে গেল। প্রথম ম্যাচটি হয়েছে কাদা মাঠে। বাংলাদেশের কাছে ৪-১ গোলে হেরে ভুটান কোচ তো বলেই দিলেন, এমন মাঠে কাতারও হারবে বাংলাদেশের কাছে।
সত্যি সত্যিই কাতার ম্যাচের আগে বৃষ্টি এসে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ভিজিয়ে দিয়ে গেল! অবশ্য সেই বৃষ্টি ফুটবল ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার মতো ছিল না। এখন মাঠের যে চিত্র, তাতে খেলা না হওয়ার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশ তাই কাতারের মুখোমুখি হচ্ছে কিছুটা স্বস্তি নিয়েই, এটা বলাই যায়। কারণ ভারী মাঠে খেলে তো অভ্যস্তই বাংলাদেশের ফুটবলাররা। ঘরোয়া ফুটবলে খেলা হয় ঘোর বর্ষাতেও!
তবে র্যাঙ্কিংয়ে ১২৫ ধাপ এগিয়ে থাকা কাতারের বিপক্ষে ভালো কিছু করতে হলে সেরা খেলাটাই খেলতে হবে বাংলাদেশকে। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে দুই দলের ম্যাচ।
