রাজাপুরের উত্তর তারাবুনিয়া গ্রামে মুনিয়া আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শনিবার সন্ধ্যায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, মুনিয়া ব্রেন স্ট্রোক করেছে। তবে গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, যৌতুকের জন্য মুনিয়ার স্বামী সুমন মোল্লা তাকে হত্যা করেছে।
এলাকাবাসী জানায়, তারাবুনিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে সুমনের সঙ্গে ভা-ারিয়ার রাজপাশা গ্রামের সোহরাব হাওলাদারের মেয়ে মুনিয়ার দুই মাস আগে বিয়ে হয়। সুমন যশোরে আরএফএল কোম্পানিতে চাকরি করত। মুনিয়া সেখানেই থাকত। গত শুক্রবার রাতে সুমন মুনিয়ার পরিবারকে জানায়, সে স্ট্রোক করেছে। ওই রাতেই মুনিয়ার বাবার বাড়ির লোকজন তারাবুনিয়ায় আসেন। শনিবার ভোরে যশোর থেকে লাশ নিয়ে এলে তা দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে দুপুরে তারা রাজাপুর থানায় অভিযোগ করেন। সন্ধ্যায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
মুনিয়ার ভাই সোলায়মান বলেন, ‘গত দুই মাসে যৌতুকের জন্য সুমন মুনিয়াকে অনেকবার মেরেছে। সুমনকে বলেছিলাম, বাড়িতে আসো; যা লাগবে দেব। কিন্তু এর আগেই ও আমার ছোট্ট বোনটাকে মেরে ফেলেছে।’
রাজাপুর থানার ওসি জাহিদ হাসান বলেন, সুমন পুলিশ আসার খবর পেয়ে পালিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
