বরখাস্ত খুলনার সহকারী কর কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন আহমেদকে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিনে কর কমিশনের অনুমতি নিয়ে নগরীর বয়রা সবুরের মোড় এলাকার নিজ বাসভবনের সামনে থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে।
দুদকের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নামজুল হাসান তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাট কর সার্কেলের সাবেক সহকারী কর কমিশনার মো. মেজবাহউদ্দিন আহমেদ অভিনব কায়দায় করদাতাদের ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় ২৭ মে খুলনার কর অঞ্চলের উপ কর-কশিনার খন্দকার মো. তারিফউদ্দিন বাদি হয়ে খুলনা মহানগর আদালত (খালিশপুর) অঞ্চলে মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক তরিকুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। এর আগে ৯ মে মো. মেজবাহ উদ্দিন আহমেদকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করে কর অঞ্চল খুলনা।
মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, সহকারী কর-কমিশনার মো. মেজবাহউদ্দিন আহমেদ ২০১৭ সালের ৮ মে থেকে ২০১৮ সালের ৮ নভেম্বর পর্যন্ত খুলনা কর অঞ্চলের অধীনস্থ কর সার্কেল বাগেরহাট, খুলনা ও মোংলায় দায়িত্বরত অবস্থায় করদাতাদের তিন কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে সোনালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখায় জমা দেন। পরে ৪০টি চেকের মাধ্যমে তিনি ওই টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
এর মধ্যে বাগেরহাটে থাকাকালীন ২ কোটি ১০ লাখ ২৪ হাজার ৪২৩ টাকা এবং মোংলা, কুষ্টিয়া, ভেড়ামারা ও মাগুরায় থাকাকালীন সময়ে ১ কোটি ৩৭ লাখ ১০ হাজার ৬ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
