জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ক্ষমতায় থাকতে স্বৈরশাসকরা সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করে থাকে।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিজোট আয়োজিত ‘নির্বাচন কেন্দ্রিক সংকট সমাধানে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন ও প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
ড. কামাল বলেন, ‘স্বৈরশাসকদের মূল চেষ্টা থাকে সাম্প্রদায়িকতা ও সংকীর্ণ দলীয় মানসিকতার মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টি করা। তারা জনগণকে বিভক্ত করে ক্ষমতায় থাকতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘স্বৈরশাসকরা জনগণের হাতে ক্ষমতা দিতে চায় না। তবে অতীতে এ ধরনের শাসকরা এসব করে ক্ষমতায় থাকতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের ঐক্যের কারণে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে।’
সভায় জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘অঘোষিতভাবে দেশে এখন কোনো সংবিধান নেই। দেশে এখন এক ব্যক্তির শাসন চলছে। মশা মারা থেকে শুরু করে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার হত্যাকাণ্ডের আসামিদের ধরতে তার নির্দেশ লাগে। তার হুকুম ছাড়া কিছুই হয় না।’
দেশকে জাহান্নাম বানানো হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত শত্রুতা নয়, দেশবিরোধী চুক্তির বিরোধিতা করায় বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়েছে।
আসাদ হত্যার কারণে আইয়ুব খানকে এ দেশ থেকে চলে যেতে হয়েছে উল্লেখ করে আ স ম রব বলেন, ‘আবরার হত্যার কারণে আপনাদের ক্ষমতা থেকে চলে যেতে হবে। সেটার বেশি দেরি নেই।’
মুক্তিজোটের জাতীয় সমন্বয়ক এআর শিকদারের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিজোটের সংগঠন প্রধান আবু লায়েস মুন্না, জেএসডি সহসভাপতি তানিয়া রব, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া প্রমুখ।
